Home Uncategorized সম্প্রীতির উৎসবে মানবিকতার ছোঁয়া, সিলেটে ৫০০ পরিবারের পাশে আজিজ খান সজিব

সম্প্রীতির উৎসবে মানবিকতার ছোঁয়া, সিলেটে ৫০০ পরিবারের পাশে আজিজ খান সজিব

by Londonview24
0 comment

শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে সিলেট নগরীর ৮নং ওয়ার্ডে ৫০০ পরিবারের মাঝে পূজার উপহার ও নগদ অর্থ বিতরণ করেছেন সিলেট মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী আজিজ খান সজিব।

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নির্দেশনা এবং বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জনাব খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের দিকনির্দেশনায় এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এর মধ্যে ৩০০ পরিবারের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি এবং আরও ২০০ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় নগরীর হাওলাদারপাড়ার ভাটিবাংলা অগ্রদূত যুব সংঘের সার্বজনীন পূজামণ্ডপ প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাটিবাংলা অগ্রদূত যুব সংঘ সার্বজনীন পূজা কমিটির সভাপতি গৌর দাস বণিক। অনুষ্ঠান যৌথভাবে পরিচালনা করেন মৃনাল কান্তি দাস ও ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল আহমদ খান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী। প্রধান বক্তা ও আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, “ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই মিলেমিশে বসবাস করাই আমাদের সম্প্রীতির ঐতিহ্য। শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে আজিজ খান সজিবের এ উদ্যোগ প্রশংসনীয়। সমাজের বিত্তবান ও সামর্থ্যবান মানুষ এগিয়ে এলে অসহায় পরিবারগুলোর মুখে হাসি ফোটানোর পাশাপাশি সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলার টুকেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সফিকুর রহমান, মহানগর বিএনপির উপদেষ্টা মো. আজমল হোসেন, পূজা উদযাপন পরিষদ সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি সুব্রত দেব এবং পূজা উদযাপন ফ্রন্ট সিলেট মহানগর শাখার আহ্বায়ক অর্জুন ঘোষসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বক্তব্য দেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী করিম উল্লাহ হেলাল। উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কালী বাড়ি, পাঠানটুলা, হাওলাদারপাড়া ও করেরপাড়া এলাকার বিশিষ্ট মুরুব্বি প্রদীপ ঘোষ, জিশু পাল, নিত্য কলি আশ্চর্য্য, শৈলেন ঘোষ, নির্মল ঘোষ, সুবীর সরকার, সাইফুল ইসলাম, জহির মিয়া, সুবাস দেব, সায়েস্তা মিয়া, রতিলাল দাস এবং দুসকি সনাতন পল্লির সভাপতি লিটন দাস।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহসভাপতি ও জেলা পূজা ফ্রন্টের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অর্পন ঘোষ, মহানগর যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ওসমান গনি, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ছালেক আহমদ, ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি র ফ ম বাবলু আহমদ, ৩৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাজন মিয়া, পূজা উদযাপন পরিষদ জালালাবাদ থানার আহ্বায়ক বিদ্যুৎ রঞ্জন দাস ও সদস্যসচিব রাহুল সেন সৌরভ।

আরও উপস্থিত ছিলেন ভাটিবাংলা অগ্রদূত যুব সংঘের উপদেষ্টা মহিতোষ মজুমদার, শাপলা সংঘের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুমিত দেব, শ্রীভূমি পূজা সংঘের সভাপতি দেবু দাস, ভট্টপাড়া শিবমন্দিরের সাধারণ সম্পাদক মনোজ কান্তি দত্ত মুন্না,নতুন বাজার ওঁ সনাতন সংঘের সভাপতি রতিন্দ লাল দাস বক্ত, শ্রী শ্রী রাধাকৃষ্ণ মন্দিরের সাধারণ সম্পাদক রিংকু বর্মন, ৮নং ওয়ার্ড মহিলা দলের আহ্বায়ক দিলারা বেগম, রাগীব-রাবেয়া মহিলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক শামীমা আক্তার সীমা, সদস্যসচিব রোকেয়া আক্তার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ঝর্না রানী দাস ও যুগ্ম আহ্বায়ক রুমেনা বেগম।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মো. কামরান খান, মো. তারেক মিয়া, আছকর আহমদ, শেখ সাক্কুল, শংকর দাস, আজিজ আহমদ, শাহীন আহমদ, লিমন আহমদ, সাদ্দাম হোসেন লিটু, শেখ সালমান, রবিউল হাসান, ফারুক আহমদ, সাইফুল ইসলাম হিমেল, বিপ্লব দাস, হোসেন খান ও হান্নান আহমদ,সাইফু ইসলাম রুহানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সহযোগিতার বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন আয়োজক ও উপস্থিত ব্যক্তিরা।

আয়োজক আজিজ খান সজিবের এ উদ্যোগে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। পূজার আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার পাশাপাশি পরিবারের প্রয়োজন মেটাতে সহায়তার এ উদ্যোগকে মানবিক ও সম্প্রীতিমূলক কর্মকাণ্ড হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

‘ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ সবার’—এই চেতনাকে ধারণ করে সম্প্রীতি, সহমর্মিতা ও মানবিকতার বন্ধন অটুট রাখার প্রত্যয় নিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

You may also like

Leave a Comment