শুনানি শেষে একেএম ফজলুল হক বলেন, ‘আমার প্রতি বৈষম্য হয়েছে। বিএনপির অনেক প্রার্থীকে দ্বৈত নাগরিকত্বের মধ্যে কাগজপত্র সাবমিট না করেও মনোনয়নপত্র বৈধ করেছে। রিটার্নিং অফিসারের মত নির্বাচন কমিশনও আমার প্রার্থিতা দেয়নি। এখন আইনজীবীর সাথে কথা বলে আদালতে যাওয়ার ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।’
এর আগে গত ৪ জানুয়ারি ডা. এ কে এম ফজলুল হকের মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার জিয়াউদ্দীন তার মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, ডা. ফজলুল হক হলফনামায় যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগের কথা উল্লেখ করলেও এর পক্ষে কোনও কাগজপত্র জমা দেননি। তিনি হলফনামায় দাবি করেন, গত ২৮ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছেন।
